Jul
12

সজীব ওয়াজেদ জয়, একজন ডিজিটাল স্বপ্নদ্রষ্টার মাহাকাশ যাত্রা।


প্রধানমন্ত্রীর তনয় সজীব ওয়াজেদ জয় এখন ঢাকায়। আইটি সংক্রান্ত বিভিন্ন সভা-সেমিনারে ভাষন দিচ্ছেন এবং দাবী করছেন বাংলাদেশকে ডিজিটাল বানানোর সরকারী কর্মসূচীর প্রায় সবটাই ওনার নিজের।  দুদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নিজেও এর পক্ষে সাফাই গাইলেন। এক কথায় শেখ হাসিনা সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে উচ্চাভিলাসী কর্মসূচী হাতে নিয়েছে তার স্বপ্নদ্রষ্টা প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। এতদিন জেনে এসেছি সন্তানরাই মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করে থাকে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন ও বেশ চমকপ্রদ। মা বাস্তবায়ন করছে সন্তানের স্বপ্ন, শুনতে অনেকটা রূপকথার মত শোনায়। এমন সন্তান নিয়ে শুধু মা কেন চাইলে গোটা জাতিই গর্ব করতে পারে। তারেক ও ককো জিয়ার পরিণতি হতে শিক্ষা নিয়েছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন এক প্রশ্নের উত্তরে জনাব জয় বললেন আরও সাহসী কথা, ‘আমার আছে শিক্ষা এবং আমি বঙ্গবন্ধুর নাতি, আমাদের চুরির দরকার হয়না’। নতুন প্রজন্মের একজন শিক্ষিত যুবকের মুখে এমন খোলামেলা কথা আমাদের উৎসাহিত করে এবং রাজনীতি নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে প্রেরণা যোগায়। যে কোন বিবেচনায় ধন্যবাদ পাওয়ার দাবি করতে পারেন এই প্রবাসী। চাঁদেও নাকি কলংক থাকে যা খালি চোখে দেখা যায়না। বড় মাপের শক্তিশালী দূরবীন ব্যবহার করলে এর কিছুটা নমুনা দেখা যায়। ক্ষমতার রাজনীতি বাংলাদেশে কতটা পূতময় ও গন্ধযুক্ত তার কিছুটা নমুনা পাওয়া যাচ্ছে হালে প্রকাশ পাওয়া তারেক ও ককো জিয়ার অতীত ইতিহাস হতে। পাঠকদের কি মনে আছে ১/১১ উত্তর খালেদা জিয়ার দাবির কথা? ‘ওরা শহীদ জিয়ার সন্তান, ওরা দুর্নীতি করতে পারেনা‘। তারেক আর ককো সহ জিয়া পরিবারের দুর্নীতি দেখতে এখান আর দুরবীনের প্রয়োজন হয়না, খবরের কাগজ ঘাটলেই ডায়েরিয়ার মত বেরিয়ে আসে এদের কালো ইতিহাস। ঐতিহাসিক বাস্তবতায় তারেক আর ককো এখন দেশছাড়া আর ক্ষমতার সোনালী জুতায় পা রেখে জয় ওয়াজেদ এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। চাঁদের অন্যপিঠ দেখতে চাইলে আসুন খুব ছোট মাপের একটা দুরবীন হাতে নেই এবং দেখার চেষ্টা করি ওয়াজেদীয় কাহিনীর উলটো পিঠ।

সাময়িকভাবে থমকে গেলেও ডিজিটাল কর্মসূচীর অন্যতম প্রকল্প ৫০,০০০ কোটি টাকার বঙ্গবন্ধু বিমানবন্দর প্রকল্প সহসাই নতুন শক্তি অর্জন করতে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে অন্য কোথাও নয়, বিতর্কিত অড়িয়াল বিলেই বাস্তবায়িত হবে সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্বপ্ন। যারা এই প্রকল্পের বিরোধীতা করেছিল তাদের সবার কোমর ভাঙ্গার ডিজিটাল প্রকল্পও নাকি হাতে নেয়া হয়েছে। ছেলে স্বপ্ন দেখছে এক রাজ্যের আর তা চলে যাবে অন্য রাজ্যে, এমন ’অনৈতিক’ কাজ হজম করার মত মা নন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের স্বপ্ন কেবল ফাঁকা বুলি নয়, এরও প্রাইস ট্যাগ থাকে। ৫০,০০০ কোটি টাকার বিমান বন্দরে কার কত প্রাইস ট্যাগ তা সময়ই প্রমান করবে, যেমনটা করছে তারেক জিয়ার বেলায়। এই বিশাল প্রকল্পের আড়ালে আরও একটা প্রকল্প বেড়ে উঠছে যা নিয়ে কেউ মাথা ঘামাচ্ছে না। আপাত দৃষ্টিতে মনে হবে এর সময় হয়নি। অনেকে হয়ত প্রকল্পের ভাগ্য নিয়েও সন্দিহান হয়ে থাকবেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে প্রকল্প এগিয়ে চলছে এবং ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করা হয়ে গেছে কোটি কোটি টাকা। বলছিলাম দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু প্রকল্পের কথা, ১০,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট প্রকল্পের কথা। এটাও জয় ওয়াজেদের দেখা ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ। স্বপ্নের ঘোড়া কতদূর এগিয়েছে তা সরজমিনে দেখার জন্যেই নাকি এ যাত্রায় ঢাকা আগমন।

স্যাটেলাইট সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রকল্পের আসল মূল্য কত তার খসড়া রূপরেখা এখন পর্যন্ত দাঁড় করানো হয়নি। শোনা যায় স্বপ্নের শেষটা এখন পর্যন্ত দেখা হয়নি, তাই এ বিলম্ব। তবে যা এগিয়ে চলছে তা হল এর কারিগরী পরামর্শদাতা নিয়োগ। সর্বসাকুল্যে এ কাজে ব্যায় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার। ইতিমধ্যে এতদসংক্রান্ত বিডও জমা হয়ে গেছে। এ জাতীয় যে কোন বিডের মত এ কাজকেও ভাগ করা হয়েছে দুটো বিভাগে, টেকনিক্যাল ও ফাইন্যানসিয়াল। সোজা বাংলায়, ট্যাকনিক্যালি যারা কোয়ালিফাই করবে কেবল তাদের ফাইন্যান্সিয়াল অফার গুলোই বিবেচনায় আনা হবে। কানাডা, আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া, রাশিয়া সহ বেশ কটা দেশের কোম্পানী অংশ নেয়া বিড প্রসেসে, এবং এদের মধ্য হতে ছয়টা কোম্পানিকে মার্কিং সিস্টেমে শর্ট লিস্ট করে নেয় বিটিআরসি। উল্লেখ্য, বিডের চাহিদা মোতাবেক প্রতিটা কোম্পানীর সাথে জড়িত করা হয়ছে স্থানীয় এজেন্ট। কোন সমস্যা ছাড়াই বিড প্রসেস হু হু করে এগিয়ে যায়। যারা কাছ হতে এ কাজ মনিটর করছিলেন তারা ভাবতে শুরু করেন জয় ওয়াজেদের স্বপ্ন আকাশে উড়তে  বোধহয় আর দেরী নেই। তথ্য লিকেজে জানা যায় মার্কিন এক কোম্পানী সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়ে বিড দৌড়ে অনেকটা সামনে এগিয়ে আছে এবং কাজ পাওয়া হতে মাত্র কয়েক হাত দূরে।

কিন্তু স্বপ্নদ্রষ্টা যেদিন ঢাকায় পা রাখলেন সেদিন হতে প্রকল্প উলটো দিকে হাটা শুরু করে দেয়। সামিট গ্রুপ বলে বাংলাদেশে এক গ্রুপ আছে। বলা হয় সরকারের জনৈক মন্ত্রীর ভাই এই গ্রুপের মালিক। শেয়ার বাজার ম্যানিপুলেশন সহ বাংলাদেশে এমন কোন কাজ নেই যা এই গ্রুপ করছে না। এদের কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্যে অনেক সময় অন্যদের বিড পর্যন্ত গায়েব করে দেয়া হচ্ছে। তো এই সামিট গ্রুপও জয় ওয়াজদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিজ্ঞা নিয়ে মার্কিন কোম্পানী স্পেইস পার্টনারশীপ ইন্টারন্যাশনালের (সংক্ষেপে এসপিআই) সাথে গড়ে তোলে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব। কিন্তু হায়, বিড খোলার পর দেয়া যায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে এই গ্রুপ। ঠিক এমন একটা জটিল মুহূর্তে বিড রঙ্গমঞ্চের রূপালী পর্দায় আবির্ভুত হন খোদ স্বপ্নদ্রষ্টা এবং বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের সামনে তুলে ধরেন স্বপ্নের নতুন অধ্যায়। এবং এ অধ্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে  চলে আসে এসপিআই এবং তাদের স্থানীয় এজেন্ট সামিট গ্রুপের নাম। উনি স্বপ্নে দেখলেন আকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উড়ছে সামিট গ্রুপের পাখায় ভর করে। মৌখিক আদেশের পর চিঠি গেল এসপিআই হতে। চিঠিতে তুলে ধরা হল কেন সামিট গ্রুপ এই কাজ পাবে। বিড প্রক্রিয়ার মৌলিক ধারা লংঘন করে নিজেদের আধিপত্য প্রকাশ করল জোরালো ভাবে (যে আধিপত্য ইভ্যালুয়েশন প্রসেসে টেকেনি)। চেয়ারম্যান সহ কমিশনের বাকি সবার মাথায় হাত, কারণ সামিট গ্রুপকে কাজ পাইয়ে দিতে গেলে আশ্রয় নিতে হবে শত শত মিথ্যার। ক্ষমতার পালাবদলের ডুগডুগি যতটা কাছ হতে বাজছে তাতে সবাই ভীত এবং সন্ত্রস্ত। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট হয়ত আকাশে কোনদিনই উড়বে না। কিন্তু এ ফাঁকে রাষ্ট্রের খাজাঞ্জিখানা হতে সামিট নামক মুসাফিররা উদর ঠিকই পূর্ণ করে নেবে। বদহজমের পাপে সাজা হবে কমিশনের অক্ষম কর্মকর্তাদের,  যারা জাতির দৌহিত্রের স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছিল অনন্যোপায়, অসহায়।

যাদের জানা নেই তাদেরকে বলছি, সামিট নামক গ্রুপের আসল স্রষ্টা খোদ সজীব ওয়াজেদ জয়। কারও সন্দেহ থাকলে বিড প্রসেসে অংশ নিয়ে দেখতে পারেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর ভাইকে বলির পাঠা বানিয়ে এই স্বপ্নদ্রষ্টা বাংলাদেশকে বানিয়েছেন সহস্র কোটি টাকার নাদুস নুদুস গিনিপিগ। উনার সামনে আসতে বাধা, কারণ উনি শিক্ষিত, সর্বোপরি বঙ্গবন্ধুর নাতি, জাতির দৌহিত্র।

গোপন সূত্রে পাওয়া একটা ডকুমেন্টের কপি দিলাম। এই সেই চিঠি যা বিড প্রসেসের মৌলিক ধারা লংঘন করে জমা দেয়া হয়েছে কমিশনের কাছে। এই চিঠির স্বপ্নদ্রষ্টাও সজীব ওয়াজেদ জয় নিজে। যাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে কিছুদিন ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ করব। কথায় আছে পাপ বাপকেও ছাড়ে না। তারেক আর ককো জিয়াকে যেমন ছাড়েনি এই ডিজিটাল স্বপ্নভ্রষ্টাকে ছাড়বে তারই বা নিশ্চয়তা কোথায়?

ডকুমেন্ট পিডিএফ হতে ডকুমেন্ট অথবা অন্য কোন ফরমাটে কনভার্ট করতে হবে। একটু সময় নিলাম।

Apr
20

Foreigner Incorporating a Local Company

A foreigner, who would like to set up his own company and be present in Singapore to actively manage its operations, should apply for an EntrePass from the Ministry of Manpower (MOM). For more information on the EntrePass, please refer to the MOM website.

The person* intending to incorporate a company is required to engage the services of a professional firm (e.g. lawyers, accountants, chartered secretaries) or a service bureau (e.g. DP Bureau) to submit the online application on his behalf if any of the company officers or shareholders does not have SingPass. Only an individual with SingPass can proceed to submit any online transactions or perform the required endorsements via BizFile (ACRA’s online filing system). They will need to log in to BizFile using their identification number (NRIC or FIN no.) and SingPass.

(*Any person above the age of 18 years old with effect from 1 March 2009 can be a director of a Company)

 

What about a foreigner who is to be employed as an employee eg a salaried director?

 

Any foreigner who wishes to work in Singapore as an employee would have to apply for an appropriate work pass eg. an Employment Pass from the Ministry of Manpower (MOM).

 

Can the Company commence business upon successful registration with ACRA?

 

The Company may commence business once it has been registered with ACRA. This is on condition that the Company does not require any license/approvals from other government agencies in order to carry out the business activities.

 

 

Information on licensing requirements, business assistance and key industry information

 

Can a foreigner incorporate a company without applying for an EntrePass?

 

If the foreigner wishes to incorporate the company with no intention to stay on in Singapore to manage its operations, then he can do so without having to apply for an EntrePass. However he will need to have at least 1 locally resident director at the point of incorporation. He has to engage the services of a professional firm to file the application online.

 

 

Can a foreigner incorporate a company first and then apply for an EntrePass with MOM?

 

A foreigner is required to submit his EntrePass application with MOM. Upon approval of his EntrePass application, he may then proceed to incorporate the company with ACRA. He may also apply for an EntrePass if he owns a company registered with ACRA for not more than 6 months at the point of his EntrePass application. This is subject to MOM’s assessment and approval. Please refer to the MOM website for information on the EntrePass.

Apr
06

আজ আমার ব্লগ জিবনের প্রথম দিন ।

আসসালামু আলাইকুম,
আলহামদুলিল্লাহ “ই দেশী”তে আজ আমার ব্লগ জিবনের প্রথম দিন।সম্মানিত সঞ্চালক ,লেখক
,পাঠক সবার প্রতি যথাযথ সম্মান জানিয়ে  “ই দেশী”র ভুবনে আমি আমার জাত্রা শুরু করলাম।

সকলের কাছে আমার প্রত্যাশা, প্রথম ব্লগ যাত্রার সামান্য ভুলত্রুটি ক্ষমাশুন্দর  দৃষ্টিতে দেখে সবাই  আমাকে  সহযোগিতা করবেন।ধন্যবাদ।

Feb
20

bpl

<iframe frameborder=0 marginwidth=0 marginheight=0 scrolling=no width=600 height=435 src=”http://embed.khantv.com/?live”></iframe>

The crowd in Chittagong were treated to two tense games, but had to go home disappointed as their home team, Chittagong Kings, fell short by nine runs in a low-scoring thriller against Duronto Rajshahi. Chittagong Kings got off to a good start chasing 127, but Rajshahi scripted a remarkable turnaround, thanks to the left-arm spinner Saqlain Sajib, who took 3 for 22.

 

On a pitch taking turn, the Chittagong openers added 40 before Jahurul Islam was run-out. It was the opening which transformed Rajshahi’s fortunes as Sajib took two in two balls. Jason Roy was bowled, before Ziaur Rahman was out edging to Junaid Siddique at slip. He added Nasir Jamshed to his tally and suddenly, Chittagong were feeling the heat.

 

The captain Mahmudullah and Shamsur Rahman led a recovery stand of 34, helped along the way by some ordinary fielding. At 89 for 4, just when the chase had a semblance of control, Mahmudullah fell for 18. There was no looking back from there on as Mohammad Sami struck twice to give Rajshahi the edge. He removed Shamsur top edging a short ball, but was a bit lucky to get Dwayne Bravo lbw, as replays indicated the ball may have missed the leg stump.

Feb
15

স্মাইল ড্রিম.. আমার ভালো লাগা একটি বাংলাদেশী সামাজিক যোগাযোগ এর সাইট!!

আমার ভালো লাগা একটি সাইটের ঠিকানা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আর আমি মনেকরি সব বাংলাদেশির ও সাইট টা শেয়ার করা দরকার। আমার এক বস্ধু সামহয়ারইনব্লগ এ এই সাইটটা সম্পর্কে কিছুদিন আগে একটা পোষ্ট করছিণ, আমিও ভাবলাম কিছু সাইটে পোষ্ট করি, তাই এখানে ১টা নতুন একাউন্ট করলাম।স্মাইলড্রিম সাইটটা এখন হুবহু Facebook এর মত ব্যবহার করতে পারবেন। তাছাড়া আপনারা ফ্রি এস এম এস পাঠাতে পারবেন যেকোন মোবাইলে। সাইটটির নির্মাতা এখনো সাইটটি নিয়ে কাজ করছেন। তাই তিনি সবার কাছে সাইটটি সম্পর্কে পরামর্শ চেয়েছেন। আসুন আমরা সবাই এমন একটি সাইট তেরীতে সহযোগীতা করি। দেখি বাংলাদেশ থেকে একটি Facebook চালু করতে পারি কি না!!
সাইটটিতে যেতে সরাসরি এখানে ক্লিক করুন
ফ্রি এসএমএস পাঠাতে এখানে ক্লিক করুন।

Feb
08

আজ আসলাম, আপনাদের জানান দিচ্ছি, আমাকে কষ্ট দিন।

সুপ্রিয় পাঠক ও সহব্লগার বৃন্দ,

আজ সাইট ঘেটে এই ব্লগের এড দেখে রেজিষ্ট্রি করলাম ও প্রথম লেখা লিখছি, একজন ব্লগার হিসাবে আমার তেমন কোন পরিচয় নেই, তাই পরিচয়ে আর বেশী কিছু বলছি না, আমার লেখার হাত ভাল না খারাপ তা আপনারা বা পাঠক ও সহব্লগার যারা আছেন তাদের বিবেচনায় ছেড়ে দিলাম, কেননা আমি অন্যান্য ব্লগে বেশ লেখা লেখি করি এবং দেখতে পাচ্ছি চারিদিকে বাংলা ব্লগের বেশ ছড়াছড়ি যার কয়েকটিতে নিবন্ধন করে আমি ছড়া কবিতা প্রবন্ধ ইত্যাদি লিখে আসছি বেশ কয়েক বছর ধরে, মাঝে অসুস্ত হওয়ার কারণে বিরত থেকে আবার এই ভাষার মাসে লেখা শুরু করেছি, আপনারা যারা এখানে প্রতিনিয়ত লিখেন তাদের সবাইকে আমার শুভেচ্ছা ও বাংলা ভাষার জন্য যারা প্রান দিয়েছেন তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও সন্মান প্রদর্শন করে আপনাদের সবাইকে আরেকবার সাধু বাদ জানিয়ে আজকের মতো বিদায় নিচ্ছি, যে যেখানে থাকুন না কেন সর্বদা ভাল থাকুন এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে রাখছি।Embarassed

Jan
04

প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু কামনাকারীর ৬ মাস জেল

প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যু কামনাকারীর ৬ মাস জেল বুধবার, ০৪ জানুয়ারী ২০১২ ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মৃত্যু কামনা’ মামলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মুহাম্মদ রুহুল আমীন খন্দকারকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। অষ্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত এই শিক্ষককে দেশে ফেরাতে এবং তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পুলিশ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এবিএম আলতাফ হোসেন বলেন, ব্যক্তিগতভাবে হাজির না হয়ে আদালত অবমাননা করায় তাকে ৬ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। তার মূল রুলের বিষয়ে হাইকোর্ট পরে রায় দেবে। উল্লেখ্য ১৩ অগাস্ট ফেইসবুক ওয়ালে পোস্ট করা একটি স্ট্যাটাসে লেখা ছিল, ‘পরীক্ষা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়ার ফল তারেক ও মিশুক মুনীরসহ নিহত ৫: সবাই মরে, হাসিনা মরে না কেন?’

মানব্জমিন

Dec
13

৭৫’এর হত্যা অবৈধ হলে এ হত্যাও অবৈধ…

নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে মানুষ। ভুতুরে কায়দায় হাওয়া হয়ে যাচ্ছে ওরা। নগর, বন্দর, হাট-মাঠ-ঘাট হতে কোন এক অলৌকিক শক্তিবলে উধাও হচ্ছে দু’হাত দু’পা ওয়ালা আদম। ১৯৩৯ হতে ৪৫ সাল পর্যন্ত ইউরোপে অহরহই ঘটতো এ ঘটনা। ১৯৭৩-৭৫ সালে সদ্য জন্ম নেয়া বাংলাদেশও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিল নিখোঁজ হওয়ার ভৌতিক অধ্যায়। হিটলারের গেস্টাপো আর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীর রক্ষীবাহিনী নীরবে, নিঃশব্দে, অনেকটা ’ইনভিজিবল ম্যান’  কায়দায় হানা দিত দুয়ারে। এ যেন মৃত্যু পরোয়ানা নিয়ে খোদ আজরাইলের আগমন। এ ধরণের শাহী আগমনের শেষ গন্তব্য কোন বন্দর তা জানতে আমাদের হয়ত কবর হতে উঠিয়ে আনতে হবে ৫০ হতে ৭০ মিলিয়ন ইউরোপীয়, এশিয় আর আফ্রিকান জীবন। বাংলাদেশের বেলায় এর সঠিক পরিসংখ্যান আমরা কোনোদিনই জানতে পারবো না মেরুকরণ নামক রাষ্ট্রীয় কলেরার কারণে। পরিসংখ্যান ব্যুরো কেন, কবরেও আমাদের মেরুকরণের ভুত। এ ভুত যেনতেন ভুত নয়, খোদ আজরাইল নিযুক্ত যান্ত্রিক ভুত, যা দম দেয়া পুতুলের মত খোঁড়াক যোগায় রাষ্ট্রীয় ’তামাশার’। হিটলার ও তার গেস্টাপো বাহিনী এখন ইতিহাস। মানব সভ্যতার এ কলংকিত অধ্যায় সভ্যতা মূল্যায়নের উপকরণ হিসাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং সামনেও করে যাবে আরও হাজার বছর।  কিন্তু হায়! বিনা বিচারে নাগরিক হত্যা ঠাই নিতে পারেনি আমাদের ইতিহাসে। বরং এ অবৈধ সাংস্কৃতি স্থায়ী আসন করে নিয়েছে শাসন ব্যবস্থার কাঠামোতে। শেখ মুজিব হতে শুরু করে জিয়া, এরশাদ, খালেদা এবং হাসিনা চক্রের কোন চক্রই বেরিয়ে আসতে পারেনি দেশ শাসনের এই আজরায়েলি ভুত হতে। খালেদা জিয়া সরকার RAB নামের যে গেস্টাপো বাহিনীর জন্ম দিয়েছিল হাসিনা সরকারের ছায়াতলে পল্লবিত হয়ে তা পরিণত হয়েছে বিশাল মহীরুহে। ম্যান্ডেট নিয়ে দেশ শাসনের গণতান্ত্রিক রেওয়াজে অলিখিত আইন হয়ে গেছে বিনা বিচারে হত্যা নামের পশুত্ব। এবং তা বৈধতা পাচ্ছে সরকার ও রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় হতে। ক্রসফায়ার নামক হুমায়ুন আহম্মদিয় নাটক শুরুতে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল শাসন ব্যবস্থার অক্ষমতা ও নাগরিক অধিকার ফিরে পাওয়ার আকুতি হতে। শত শত হত্যাকান্ডের পর কতটা সফল হয়েছে এ আয়োজন? স্বাভাবিক জন্মমৃত্যু সহ একটা সহজ সরল জীবনের কতটা কাছে যেতে পেরেছি আমরা? দুর্নীতি, হত্যা, গুম, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, ধর্ষণ সহ সমাজের অবক্ষয় গুলো কতটা কমানো গেছে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে? এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে আমাদের এখন ঘরের বাইরে যেতে হয়না, বরং দুয়ারে এসে জানিয়ে দেয় দুর্নীতি ও সন্ত্রাস নামক রাষ্ট্রীয় অলংকারের শক্তিমত্তা। দুর্নীতিতে উপর্যুপরি চ্যাম্পিয়নশীপ জাতি হিসাবে আমাদের এনে দিয়েছিল বিশ্বখ্যাতি। এ অধ্যায়ের সফলতম সংযোজন হিসাবে কাজ করছে আজকের বিনাবিচারে হত্যাকান্ড। বিশ্ব মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে মানবতাবিবর্জিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। স্বভাবতই সরকারকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে আর্ন্তজাতিক চাপ। এবং এখানেই হয়ত অন্যের সাথে নিজের পার্থক্য ও বুদ্ধিমত্তা তুলে ধরতে পেরেছেন দেশপ্রেমের ১নং দাবিদার আমাদের প্রধানমন্ত্রী। হয়ত প্রতিপক্ষের সৃষ্টি হত্যাযন্ত্র ভোতা হয়ে আসছিল ডিজিটাল যুগে। তাই  আবিস্কার করতে বাধ্য হন এর ডিজিটাল সংস্করণ। রাতের আধারে ক্রসফায়ার নাটক সাজানোর বাংলাদেশি মিথ্যাচার সহজে গেলানো যাচ্ছিল না আর্ন্তজাতিক মহলে। স্বভাবতই হুমকির মুখে পরছিল দেশটার বৈদশিক সম্পর্ক। সমস্যার এমন সহজ ও কার্যকর সমাধানের জন্যে চাইলে হাসিনা সরকারকে নোবেল দেয়া যেতে পারে। আসলেই তো, প্রয়োজন কি রাতের আধারে ক্রসফায়ার নামক মঞ্চনাটকের! বরং ’শক্তিধর’ শত্রুকে ভুত বানিয়ে পদ্মা, মেঘনা, যমুনা অথবা দেশটার হাওর-বাওর, বিলে ফেলে দিলেই তো ল্যাঠা চুকে যায়! কেউ জানবে না কে হত্যা করেছে, কেন করেছে, এবং এ নিয়ে জবাবদিহিতারও প্রয়োজন হবেনা আর্ন্তজাতিক মহলে। আইন-আদালত সহ দেশিয় বিচার ব্যবস্থার প্রায় সবটাই তুলে দেয়া হয়েছে দলীয় কর্মীদের হাতে। দলীয় ক্যাডার হতে সদ্য প্রমোশন পাওয়া আদালতের বিচারকগণও টগবগ করছেন সরকার প্রধানের প্রতিদান ফিরিয়ে দিতে। আইনী ঝামেলার দেশীয় ফ্রন্ট সরকারের জন্য ঝামেলামুক্ত।

রাষ্ট্র ও সমাজের শক্র হিসাবে জুয়েল, মিজান, রাজিব ও ইসমাইলদের কতটা কুপ্রভাব ছিল যা দুর করতে তাদের লাশ ডোবা নালায় পুত্‌তে হল? স্থানীয় এসব পেটি-দুষ্কৃতিকারীদের জন্ম ও উত্থানের পেছনে কাদের হাত থাকে নাগরিক হিসাবে আমাদের সবার জানা। বিচার দুরে থাক এ নিয়ে কথা বলাও রাষ্ট্রীয় অপরাধ। এবং এ অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করতে এক পায়ে দাড়িয়ে থাকে দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থা। একজন আবুল মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় নয়, বরং সমসাময়িক বিশ্বের অর্থনৈতিক মোড়ল খোদ বিশ্বব্যাংকের। তাদের অভিযোগ, মন্ত্রীর ক্ষমতাবলে এই বাংলাদেশি বিশ্বব্যাংকের মত আর্ন্তজাতিক সংস্থায় ক্যাডার পাঠিয়েছিল অবৈধ লেনাদেনার তাগাদা দিতে। ক্ষমতা না থাকায় চাইলেও তারা পারেনি আবুল হোসেনকে বিচারের কাঠগড়ায় দাড় করাতে। কিন্তু তারা যা করেছে তা ১৫ কোটি মানুষের পেটে লাথি মারার শামিল। অথচ বিচারের দায়িত্বটা ছিল সরকারের। একই সরকার যারা শাস্তির নামে জুয়েল, ইসমাইলদের বিনাবিচারে জীবন্ত কবর দেয়, পাশাপাশি পুরস্কৃত করে আবুল মন্ত্রীর মত মেগা লুটেরাদের। রাজনীতির অন্দরমহলে কথাটা নিয়ে ফিসফাস চলে, অনেক সময় হাসি-ঠাট্টা পর্যন্ত গড়ায়। বলা হয়, আবুল মন্ত্রী নগদ ৬০ কোটি টাকায় মন্ত্রিত্ব ক্রয় করে নিয়েছেন । তাই বিচার দুরে থাক, মন্ত্রীসভা হতে বিদায়ের রাস্তাও নাকি তার জন্যে বন্ধ। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের বিশাল এক প্রকল্প এই আবুল হোসেনের জন্যে থমকে গেছে। অথচ সরকার প্রধান আসামীর কাঠগড়ায় দাড় করাচ্ছেন বিশ্বব্যাংকের মত আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানকে। সংসদ ভবনের রাজকীয় আসনে বসে দেশের আইন-আদালত আর ন্যায় অন্যায় নিয়ে যারা কথা বলেন তাদের শতকরা ৯৯ জনের ব্যাকগ্রাউন্ড ঘাঁটলে কি বেরিয়ে আসবে তা অনুমান করার জন্যে মনোবিজ্ঞানী হওয়ার প্রয়োজন নেই। এসব আউলিয়াদের কাহিনী কি একজন জুয়েল অথবা ইসমাইলের চাইতেও ভয়াবহ নয়?

প্রধানমন্ত্রী হয়ত ভুলে গেছেন অথবা জেনেও না জানার ভান করেন, ১৯৭৫ সালে উনার পিতাকে হত্যা করার প্রেক্ষাপটও কিন্তু তৈরী করা হয়েছিল অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে। এসব অভিযোগ আদালতে উঠানোর সুযোগ না দিয়ে রাতের আধারে তাকে হত্যা করা হয়েছিল কাপুরুষের মত। প্রধানমন্ত্রী নিজেও কি একই কাজ করছেন না? RAB দিয়ে গুম করিয়ে গোপনে যাদের হত্যা করছেন তারাও কি কারো পিতা, সন্তান অথবা ভাই নন? পার্থক্যটা কোথায়? জাতির পিতার সন্তানদের শোক কি তাহলে বাকি শোকের চাইতে ভিন্ন? জানতে চাইলে জিজ্ঞেস করে দেখতে হবে মিজান অথবা রাজীব পরিবারের কাউকে। ৭১’এর আত্মস্বীকৃত খুনি আর ধর্ষকদের বিচারের জন্যে আয়োজন করা হয়েছে কোটি টাকার আদালত। অথচ ক্রসফায়ার নাটকে কাউকে বলি করতে চাইলে তা হওয়া উচিৎ ছিল গোলাম আযম, নিজামী, আমিনী আর সাকা চৌধুরীর দল। একজন ইসমাইলের অপরাধ কি তাহলে নিজামীর অপরাধের চাইতে বেশি?

মানুষের মৌলিক অধিকারের অন্যতম অধিকার তার স্বাভাবিক জন্ম-মৃত্যুর নিশ্চয়তা। ব্যর্থ রাজনীতি আর অপশাসন-কুশাসনের কুটজালে আটকে মানুষ আজ নাম লেখাতে বাধ্য হচ্ছে অন্যায় আর অবৈধ পথে বেচে থাকার মিছিলে। এ মিছিলের হোতা আর নেত্রীত্বে যারা আছে তাদের গায়ে হাত না দিয়ে যদু, মধু, রাম, শ্যামদের  মতো বাই-স্ট্যান্ডার্ডদের গায়ে হাত দিয়ে আর যাই হোক সুশাসন কায়েম যে সম্ভব নয় তা অনুধাবন করার সময় এসেছে। ১৯৭৫ সালে যেমন সম্ভব হয়নি ২০১১ সালেও তা সম্ভব হবেনা।

Dec
08

আমি বিজয় দেখেছি।

**একটি প্রজাতন্ত্রের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব তখনই অর্থবহ হয় যখন তার শাষকগোষ্ঠি ও নিজেদেরকে ঐ প্রজাতন্ত্রেরই প্রজা ভাবে।
**একটি দেশ তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছতে পারে যখন তার সকল নাগরিক নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আর আইন মেনে চলে।
**একটি দেশ বহিঃশত্রু থেকে নিরাপদে থাকে যখন দেশের সকল নাগরিক ঐক্যবদ্ধ থাকে।
**দেশকে ভালবাসি মুখে না বলে কাজে কর্মে তা প্রমান করাই প্রকৃত দেশপ্রেমিকের কাজ।
**আসুন দেশকে যারা দু ভাগে ভাগ করতে চায় তাদেরকে রুখে দেই।

Nov
28

Employment in Singapore – some information

 
   
   
   
  What is the general Employment Package like in Singapore?
 
1.Monthly Salary
The table below is just a basic guideline.

Sales and Sales Manger positions S$3,000-6,000
Administrative positions S$2,500-3,000
Accounting and Accounting Manager positions S$3,500-7,000
Secretarial positions S$2,500-3,500
Financial specialist positions S$4,000-5,000
Financial Customer Service positions S$2,500-3,000
IT Technical Support positions S$3,000-4,000
Call Centre Assistant and Manger positions S$2,500-4,000
Food & Beverage Store Manager positions S$3,000-4,000
2.Housing and Transport allowances
Usually included within the Monthly Salary being offered.

3.Bonus
The Singapore Government RECOMMENDS companies in Singapore to pay a 13th Month salary at the end of each year called AWS (Annual Wage Supplement).

Depending on the respective Companies’ Rules, other Bonuses like Performance Bonuses would be at an average of 2 Months’ basic salary per year.

4.Working hours
Generally the working hours would be from 9:00~18:00 OR 8:30~17:30.
There is an increasing trend of Companies having off days on weekends (Saturday and Sunday) but there are also many Companies having an alternate Saturday duty rule.

5.Annual leave
The general amount of Applicable Annual leave entitlement would range from 7 to 14 days during the first year of work.
The Employment Law in Singapore stated that the Minimum number of Annual leave an employee is entitled to is 7 days.

6.Probation period
The general probation period would be 3 months. However, there are also Companies that requires new employees to serve a probation period of 6 months or more.
New Employees would usually be entitled to enjoy the benefits like Annual leave and Medical leave after their probation period.

Nov
11

আন্ধার রাইত আবুল ও মাল সাহেবদের পছন্দ……………….কেনো?????


 

ভাই সকল এবং সব বোন আছেন ভালো??

 

গত কাল পোষ্ট দিছিলামতেলনিয়া, এখন আরেকটু ফলোআপ কচলাই

 

আওয়ামী লীগের প্রাক্তন মন্ত্রী জনাব ওবায়দুর রহমান সাহেবের কিছু মন্তব্য শুনলাম টিভি নিউজে তিনিও প্রশ্ন তুলেছেন গত কালের তেলের দাম বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন তেলের দাম বাড়ার ফলে জিবন যাত্রার অশুভ প্রভাব পড়বে

সবচেয়ে ভাল লাগলো  তিনি যখন বললেন যে তেলের দাম  বাড়াবেন ভাল কথা কিন্তু সেটা রাতের আঁধারে কেনো?? এটা তো আগে জানিয়ে করা যেতো এবং তাতে জনগনের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া হলেও জনগন মেনে নিতো

কথা মিথ্যা বলেননি, এবং মাল সাহেবের অতি কথনের কারনে সরকার বিব্রত হচ্ছে বিভিন্ন সময়ে এটাও সত্যি কথা যাক তবু ১জন আওয়ামী লীগারের মনুষত্ব এখনো অবশিষ্ঠ আছে !!

 

আমি আরেকটা ব্যাপার কিছুতেই বুঝতে পারছি না যে হঠাৎ রাতের আঁধার আওয়ামী লীগের এতো পছন্দ হচ্ছে কেন??

 

আলীগ সব সময় এবং এখনো কথায় কথায় বলে যে,বিএনপি জন্ম রাতের আঁধারে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিএনপি জন্ম হয়নি উনারা হয়তো সত্যিই বলছেন !! সেই রাতের আঁধার কি কারনে আলীগের এতো পছন্দ হয়ে গেলো??

 

রাতের আঁধার খুব বেশি পছন্দ করে আমার জানামতে )জোনাক পোঁকা আর )অসাদু লোক বা চোর বলতে পারি তো জোনাক পোঁকা হবার চাঞ্চ নাই ! তাহলে বলতে পারি চোর!! কিনতু কথায় কথায় এই শব্দটা বেশি ব্যবহার করেন বিরোধী পক্ষকে জব্দ করার জন্য এই আলীগের ১ম সারি থেকে শেষ সারির নেতা কর্মীরা

 

তবে রাতের আঁধার কেনো বেছে নিলো অওয়ামী লীগ?? শুধু রাত নয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জনগনের উপর চাপিয়ে দেয়ার প্রয়োজন হলে যে সময়টা  বেছে নেয় যখন দেশের এমন সময়ে যখন হয় ঈদ, পুজো, বিশ্বকাপ চলা অবস্থায় যখন মানুষের চোখ থাকে অন্য কোন বিষয়ের দিকে !! চমৎকার রাজনীতির স্ট্যান্ডবাজী মানুষকে ধোঁকা দেয়ার চমৎকার আওয়ামী ফরমুলা বাহ্ আলীগ তাদের ফর্মুলার জন্য তারা বাহাবা পেতেই পারে কি বলেন??

 

আচ্ছা এখন কোথায় আমাদের বুদ্ধিজিবী তথাকথিত সুশীল সমাজ যারা কিনা দাবি করে জাতীর বিবেক বলে সেই বিবেকবান সমাজ এখন কোথায় ঘুমিয়ে আছে?? তারা কি এসব অরাজকতা দেখছেন না? নাকি তারা সবাই কানে তুলো আর চোখে টিনের চশমা পরে কিছু দেখবেন না শুনবেন না পদ্ধতি গ্রহন করেছেন??

 

ওহ্ ভুলে গেছি উনারা তো প্রধানমন্ত্রীর সাথে সার্ক সম্মেলনে দেশ উদ্ধারে ব্যস্ত আছেন বা প্রমোদ বিহারে রয়েছেন !! না ওনাদের দোষ দেয়া ঠিক হবে না কারন তারা মহৎ কাজে ব্যাস্ত আছেন!!!!!

 

তো তেল আঁধার নিয়ে বলছিলাম আমার মতে রাতের কাজ কোন ভাবেই জন কল্যানে কাজ বলা যায়না মহামান্য মন্ত্রীর নিশ্চই মনে ভয় ছিলো দিনের আলোর ভয় না থাকলে মুসলমানের ২য় বড় উৎসব ঈদ উল আজহার ছুটিতে এবং গভির রাতে দাম বাড়ানোর মতো সিদ্ধান্ত কেন নিতে হলো?? / টা দিন অপেক্ষা করলে কি মহাভারত অসুদ্ধ হয়ে যেতো? এই ছুটি রাতের আঁধারে যদি সিদ্ধান্ত না নিয়ে ছুটির পরে সবার সাথে আলাপ আলোচনা করে যদি নিতো তবে এতো প্রশ্নবিদ্ধ সরকারকে পরতে হতো না এই ছোট্ট ব্যাপারটা আমার মতো  স্বল্প জ্ঞানের ম্যাঙ্গ জনতার মাথায় যদি আসতে পারে তবে কেন এতো জ্ঞানের পাহাড় ওয়ালা ব্যাক্তিদের মাথায় এলো না???? তাহলে এই জ্ঞাণীগুনি মানুষদের মন্ত্রী হবার প্রয়োজন ছিলো কি???

 

গত বছরে বর্তমান সরকারের অর্জন কতোটুকু? তিন বছর পরেও যদি শুনতে হয় অমুক সরকারের কারনে এটা হয়নি ওটা করতে পারছিনা !! এসব কথা কতোটা বিশ্বাস যোগ্য বলে মনে হয়?? আপনারা গত সরকারের ব্যর্থতা না কপচিয়ে বছরে আপনারা কি করছেন সেটা দয়াকরে একটু বলবেন কি???

 

আমাদের পাশের দেশ ভারতের দিকে তাকাই, সেখানে বাস ভাড়া ৫০ পয়সা বাড়ানো হলে তুলকালাম কান্ড হয়ে যায় বিরোধী দল, বাম দল, শিল্পী,ছাত্র-শিক্ষক সর্বপরি দলমত নির্বিশেষে এক হয় বিরোধিতা করে আন্দোলনে রাস্তায় নামে, বিশেষ করে বাম দলগুলোর ভুমিকা থাকে সবচেয়ে বেশি,সেখানে আমাদের তথাকথিত বাম দলগুলোর কমরেড (আমার মতেকম রেট বা কমদামি) গন সরকারের পায়ে হুমরি খেয়ে পরে থাকে কে কার আগেআপারকদমবুচি করবেন তার প্রতিযোগীতায় !! আর তাদের লাল ঝান্ডা তারা এখন ব্যবহার করছেন সরকারেরপাদুকাপরিস্কার করার ব্রাস হিসেবে

 

জানতে ইচ্ছা করে এসব মহান কমরেড গন বাম রাজনীতির মুলনিতী বা সংজ্ঞা জানেন কিনা?? আর জেনেই বা কি হবে, এসব মহান কম রেট যেখানে সরকারের ছুড়ে দেয়া হাড্ডি চুষেই মহাখুশি, তাদের  নীতির প্রশ্ন করা মানে বিশাল প্রশ্নযুক্ত  ব্যাপার বটে!! থাক যারা হাড্ডি চুষে অমৃতের স্বাদ পায় তারা হাড্ডিই চুষুক আর অমৃতই ভাবুক!! বেহায়ার পাল সব, কুকুরেরও অধম শালার ?????????

 

যাক বিরোধী দল তাদের গা বাচাক, বুদ্ধিজিবী প্রমোদ বিহার করুক, কম-রেট গন হাড্ডি চুষুক, সুশীল সমাজ টিনের চশমা পরে ঘুরুক যে যাতে সুখ পায় সুখে থাকুক  !!!!!!!!!!!!!!!!!!

 

তবে শেষ কথা হলো ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় ক্ষমতা পরিবর্তনশীল,আজকে যারা ক্ষমতায় কাল যে তারা বিরোধী দলে বসবে না তার গ্যারান্টি কে দিবে?? এখনো বছর সরকারের মেয়াদ রয়েছে এই দুবছর দয়াকরে জনকল্যানে কাজ করুন বিগত সরকারের ব্যার্থতা জনগন আর শুনতে চায় না, জনগণ এখন আপনাদের সাফল্যের কথা শুনতে চায়, প্রাপ্তি কতটুকু জানতে চায়

 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মোসাহেব পরিবেষ্ঠিত হয়ে আত্মতৃপ্তিতে থাকবেন না, এসব মোসাহেব আপনাকে ভোটে জয়ী করতে পারবে না, আপনাকে জয়ী করবে বাংলার সাধারন জনতা, সাধারন জনগনকে দয়া করে অবহেলা করবেন না অবহেলার পরিনতী বিএনপি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বিগত জাতীয় নির্বাচনে পেয়েছে

 

চোখ খুলুন, চোখ খুলে বাস্তবতা দেখুন আবুল, মাল, সাহারা বা কামরুল গং আপনাকে জনবিচ্ছিন্ন করে রাখছে, সর্তক হবার শেষ সময় আপনার হাতে এখনো আছে কিছুদিন পর হয়তো সেই সুযোক থাকবে না সুতরাং সাধু সাবধান……………………….

 

**আমি জানি হয়তো লেখা সরকারের চোখে পরবে না, আর যদি পরেও তবে

হয়তো লেখার অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাবে তাই খুব ভয়ে আছি…………..অর্থ উল্টে গেলে দয়া করে ক্ষমা কইর গোওওওওওওওওওও

Older posts «

Facebook login by WP-FB-AutoConnect
 
মন্তব্য করার জন্যে অনুগ্রহ করে নিবন্ধিত হয়ে নিন।